শনিবার, ২০ই জুন ২০২৬, ৬শে আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২০ই জুন ২০২৬, ৬শে আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ :
সাতক্ষীরায় নাশকতার অভিযোগে যুবলীগ আহ্বায়ক সহ ৭৬ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার ৮ সাতক্ষীরায় বইমেলায় পোড়ানো হলো উদীচীর স্টলের ব্যানার সাতক্ষীরায় সরকারি রাস্তা ঘেরের বেড়িবাঁধ সাতক্ষীরায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা জারি ছাত্রলীগ নেত্রী নিশি সাতক্ষীরায় গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা সীমান্তে নারী শিশুসহ ১০ জন আটক সড়কের বেহাল দশা, সাতক্ষীরায় বছরে ৫৮ জনের মৃত্যু সাতক্ষীরায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা সাতক্ষীরায় পান চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের সাতক্ষীরার নলতায় চার দফা দাবিতে ছাত্র -ছাত্রীদের আন্দোলন, ক্যাম্পাসের নাম বদল সাতক্ষীরায় নাশকতার অভিযোগে যুবলীগ আহ্বায়ক সহ ৭৬ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার ৮ সাতক্ষীরায় বইমেলায় পোড়ানো হলো উদীচীর স্টলের ব্যানার সাতক্ষীরায় সরকারি রাস্তা ঘেরের বেড়িবাঁধ সাতক্ষীরায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা জারি ছাত্রলীগ নেত্রী নিশি সাতক্ষীরায় গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা সীমান্তে নারী শিশুসহ ১০ জন আটক সড়কের বেহাল দশা, সাতক্ষীরায় বছরে ৫৮ জনের মৃত্যু সাতক্ষীরায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা সাতক্ষীরায় পান চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের সাতক্ষীরার নলতায় চার দফা দাবিতে ছাত্র -ছাত্রীদের আন্দোলন, ক্যাম্পাসের নাম বদল সাতক্ষীরায় নাশকতার অভিযোগে যুবলীগ আহ্বায়ক সহ ৭৬ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার ৮ সাতক্ষীরায় বইমেলায় পোড়ানো হলো উদীচীর স্টলের ব্যানার সাতক্ষীরায় সরকারি রাস্তা ঘেরের বেড়িবাঁধ সাতক্ষীরায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা জারি ছাত্রলীগ নেত্রী নিশি সাতক্ষীরায় গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা সীমান্তে নারী শিশুসহ ১০ জন আটক সড়কের বেহাল দশা, সাতক্ষীরায় বছরে ৫৮ জনের মৃত্যু সাতক্ষীরায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা সাতক্ষীরায় পান চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের সাতক্ষীরার নলতায় চার দফা দাবিতে ছাত্র -ছাত্রীদের আন্দোলন, ক্যাম্পাসের নাম বদল সাতক্ষীরায় নাশকতার অভিযোগে যুবলীগ আহ্বায়ক সহ ৭৬ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার ৮ সাতক্ষীরায় বইমেলায় পোড়ানো হলো উদীচীর স্টলের ব্যানার সাতক্ষীরায় সরকারি রাস্তা ঘেরের বেড়িবাঁধ সাতক্ষীরায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা জারি ছাত্রলীগ নেত্রী নিশি সাতক্ষীরায় গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা সীমান্তে নারী শিশুসহ ১০ জন আটক সড়কের বেহাল দশা, সাতক্ষীরায় বছরে ৫৮ জনের মৃত্যু সাতক্ষীরায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা সাতক্ষীরায় পান চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের সাতক্ষীরার নলতায় চার দফা দাবিতে ছাত্র -ছাত্রীদের আন্দোলন, ক্যাম্পাসের নাম বদল সাতক্ষীরায় নাশকতার অভিযোগে যুবলীগ আহ্বায়ক সহ ৭৬ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার ৮ সাতক্ষীরায় বইমেলায় পোড়ানো হলো উদীচীর স্টলের ব্যানার সাতক্ষীরায় সরকারি রাস্তা ঘেরের বেড়িবাঁধ সাতক্ষীরায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা জারি ছাত্রলীগ নেত্রী নিশি সাতক্ষীরায় গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা সীমান্তে নারী শিশুসহ ১০ জন আটক সড়কের বেহাল দশা, সাতক্ষীরায় বছরে ৫৮ জনের মৃত্যু সাতক্ষীরায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা সাতক্ষীরায় পান চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের সাতক্ষীরার নলতায় চার দফা দাবিতে ছাত্র -ছাত্রীদের আন্দোলন, ক্যাম্পাসের নাম বদল সাতক্ষীরায় নাশকতার অভিযোগে যুবলীগ আহ্বায়ক সহ ৭৬ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার ৮ সাতক্ষীরায় বইমেলায় পোড়ানো হলো উদীচীর স্টলের ব্যানার সাতক্ষীরায় সরকারি রাস্তা ঘেরের বেড়িবাঁধ সাতক্ষীরায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা জারি ছাত্রলীগ নেত্রী নিশি সাতক্ষীরায় গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা সীমান্তে নারী শিশুসহ ১০ জন আটক সড়কের বেহাল দশা, সাতক্ষীরায় বছরে ৫৮ জনের মৃত্যু সাতক্ষীরায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা সাতক্ষীরায় পান চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের সাতক্ষীরার নলতায় চার দফা দাবিতে ছাত্র -ছাত্রীদের আন্দোলন, ক্যাম্পাসের নাম বদল সাতক্ষীরায় নাশকতার অভিযোগে যুবলীগ আহ্বায়ক সহ ৭৬ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার ৮ সাতক্ষীরায় বইমেলায় পোড়ানো হলো উদীচীর স্টলের ব্যানার সাতক্ষীরায় সরকারি রাস্তা ঘেরের বেড়িবাঁধ সাতক্ষীরায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা জারি ছাত্রলীগ নেত্রী নিশি সাতক্ষীরায় গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা সীমান্তে নারী শিশুসহ ১০ জন আটক সড়কের বেহাল দশা, সাতক্ষীরায় বছরে ৫৮ জনের মৃত্যু সাতক্ষীরায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা সাতক্ষীরায় পান চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের সাতক্ষীরার নলতায় চার দফা দাবিতে ছাত্র -ছাত্রীদের আন্দোলন, ক্যাম্পাসের নাম বদল সাতক্ষীরায় নাশকতার অভিযোগে যুবলীগ আহ্বায়ক সহ ৭৬ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার ৮ সাতক্ষীরায় বইমেলায় পোড়ানো হলো উদীচীর স্টলের ব্যানার সাতক্ষীরায় সরকারি রাস্তা ঘেরের বেড়িবাঁধ সাতক্ষীরায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা জারি ছাত্রলীগ নেত্রী নিশি সাতক্ষীরায় গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা সীমান্তে নারী শিশুসহ ১০ জন আটক সড়কের বেহাল দশা, সাতক্ষীরায় বছরে ৫৮ জনের মৃত্যু সাতক্ষীরায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা সাতক্ষীরায় পান চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের সাতক্ষীরার নলতায় চার দফা দাবিতে ছাত্র -ছাত্রীদের আন্দোলন, ক্যাম্পাসের নাম বদল সাতক্ষীরায় নাশকতার অভিযোগে যুবলীগ আহ্বায়ক সহ ৭৬ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার ৮ সাতক্ষীরায় বইমেলায় পোড়ানো হলো উদীচীর স্টলের ব্যানার সাতক্ষীরায় সরকারি রাস্তা ঘেরের বেড়িবাঁধ সাতক্ষীরায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা জারি ছাত্রলীগ নেত্রী নিশি সাতক্ষীরায় গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা সীমান্তে নারী শিশুসহ ১০ জন আটক সড়কের বেহাল দশা, সাতক্ষীরায় বছরে ৫৮ জনের মৃত্যু সাতক্ষীরায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা সাতক্ষীরায় পান চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের সাতক্ষীরার নলতায় চার দফা দাবিতে ছাত্র -ছাত্রীদের আন্দোলন, ক্যাম্পাসের নাম বদল সাতক্ষীরায় নাশকতার অভিযোগে যুবলীগ আহ্বায়ক সহ ৭৬ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার ৮ সাতক্ষীরায় বইমেলায় পোড়ানো হলো উদীচীর স্টলের ব্যানার সাতক্ষীরায় সরকারি রাস্তা ঘেরের বেড়িবাঁধ সাতক্ষীরায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা জারি ছাত্রলীগ নেত্রী নিশি সাতক্ষীরায় গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা সীমান্তে নারী শিশুসহ ১০ জন আটক সড়কের বেহাল দশা, সাতক্ষীরায় বছরে ৫৮ জনের মৃত্যু সাতক্ষীরায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা সাতক্ষীরায় পান চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের সাতক্ষীরার নলতায় চার দফা দাবিতে ছাত্র -ছাত্রীদের আন্দোলন, ক্যাম্পাসের নাম বদল

সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরা জেলার ব্যবসা

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ২৩ই জানুয়ারি ২০১৫, ৪:২৮ পিএম

সাতক্ষীরা জেলার ব্যবসা

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় সাতক্ষীরা জেলার ব্যবসা, সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশের ৮টি বিভাগের মধ্যে খুলনা বিভাগের অন্তর্গত ।

সাতক্ষীরা জেলা সর্ম্পকে কিছু তথ্যঃ-

সাতক্ষীরা জেলার উত্তরে যশোর জেলা, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, পূর্বে খুলনা জেলা, পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ। অবস্থানগত দিক দিয়ে সাতক্ষীরা-জেলার অবস্থান বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তে। উচ্চতার দিক বিবেচনা করলে এ অঞ্চল সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে আনুমানিক ১৬ ফুট উচুঁতে। জেলার সীমানা যেভাবে নির্ধারিত হয়েছে তাতে উত্তর-দক্ষিণে দীর্ঘ। তবে এ বিস্তীর্ণ অঞ্চলের সব অংশে জনবসতি নেই। এর মধ্যে প্রায় এক তৃতীয়াংশ বনাঞ্চল। সুন্দরবনের মধ্যে যে পরিমাণ ভূমি তার পরিমাণ ১৪৪৫.১৮ বর্গ কিলোমিটার।

 

সাতক্ষীরা জেলার ব্যবসা

 

সাতক্ষীরা জেলার ব্যবসা:-

ব্রিটিশ যুগ থেকেই উপঢৌকন হিসেবে চব্বিশ পরগণা (বর্তমানের সাতক্ষীরা) লাভের পর ব্রিটিশ বেনেরা নিজ স্বার্থেই সুন্দরবনের উন্নয়ন ও এতদাঞ্চলের অর্থনীতিতে প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করে। দেখা যায়, অচিরেই নানাবিধ কৃষিপণ্য, গৃহপালিতপশু, লবণাক্ত ও মিষ্টি পানির মাছ এবং সুন্দরবনের কাঠ, মধু ও পশুর চামড়া সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকার তথা সাতক্ষীরার অর্থনীতির ভিত্তি হয়ে ওঠে।

ব্রিটিশ শাসনের অব্যবহিত পূর্ব যুগে অবশ্য অবিভক্ত বাংলার উপকূলীয় জেলাগুলোতে কিছু লবণ শিল্প গড়ে ওঠার সংবাদ পাওয়া যায়। জেলার প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্রগুলো হলো- বড়দল, পাটকেলঘাটা, পারুলিয়া, আখড়াখোলা, আবাদের হাট, নওয়াবেকি, ঝাউডাঙ্গা, বুধহাটা, কলারোয়া, বসন্তপুর, কালিগঞ্জ, নকিপুর, নাজিমগঞ্জ, ভেটখালি, হবিনগর, হোগলা, বুড়িগোয়ালিনী, বাঁশতলা ইত্যাদি।

এছাড়া কয়েকটি ফিস প্রসেসিং প্লান্ট, কোল্ড স্টোরেজ, আইস প্লান্ট, রাইস মিল, অটো রাইস মিল, ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস, বেকারী, ইট ভাটা, বাঁশ ও বেতের দ্রব্যাদি, আসবাবপত্র, তাঁত, লবণ, গুড়, পাটজাত দ্রব্য ও মাছ প্রভৃতি বর্তমানে সাতক্ষীরা শিল্প বাণিজ্যে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছে। খামারের মধ্যে ৮৬ টি গবাদিপশু, ৩২২ টি পোল্ট্রি খামার, ৩০৪৬ টি মৎস্য খামার (মিঠা পানির), ৩৬৫০ টি চিংড়ি খামার, ৬৬ টি হ্যাচারি এবং ১ টি গরু প্রজনন কেন্দ্র আছে। চামড়া শিল্পেও সাতক্ষীরার অবদান রয়েছে।

চিংড়ি চাষ

সাতক্ষীরার দক্ষিণাঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ মৎস্যচাষের উপর নির্ভরশীল। সরকারী হিসাবে, সাতক্ষীরা জেলায় প্রায় ৬৭ হাজার হেক্টর জমিতে ৫৫ হাজার চিংড়ি ঘের (মৎস খামার) রয়েছে বেশির ভাগই বাগদা চিংড়ির চাষ হয় এবং বছরে ২২ হাজার মেট্রিক টন চিংড়ি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং উৎপাদন মান ও পরিমান বৃদ্ধিতে আধুনিকরনে বিভিন্ন মৎস চাষী ও মালিকপক্ষ তৎপর রয়েছে

ইউরোপসহ বহি:বিশ্বে রপ্তানীকৃত শতকরা ৭০ভাগ চিংড়ি সাতক্ষীরা থেকে উৎপাদিত হয়। সাতক্ষীরার বাগদা ও গলদা চিংড়ি বহিঃবিশ্বে অনেক জায়গায় হোয়াইট গোল্ড নামে পরিচিত। চিংড়ি শুধু বিদেশে নয় দেশেও যথেষ্ট কদর রয়েছে। চিংড়ি চাষের জন্যে প্রয়োজনীয় মাছের পোনা বর্তমানে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ও সংগ্রহীত হচ্ছে (সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকায় এবং শ্যামনগর উপজেলার মুন্সীগঞ্জ ও নওয়াবেকির হ্যাচারি থেকে) যা পূর্বে মৎস্য চাষীদের শতভাগ নির্ভর করতে হতো কক্সবাজারের হ্যাচারীর উপর 

বনজশিল্

পাশ্ববর্তী সুন্দরবন এর কারণে সাতক্ষীরা বনজ সম্পদে যথেষ্ট সমৃদ্ধ। ব্রিটিশ শাসন আমল থেকেই সুন্দরবনের কাঠ, মধু ও পশুর চামড়া এবং নদীর মাছ সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকার তথা সাতক্ষীরার অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি হয়ে ওঠে।

কৃষিজ পণ্য

ধান প্রধান কৃষিজ পণ্যের মধ্যে থাকলেও পাট, গম, পান পাতা স্থান নিয়ে আছে এবং প্রধান ফল আম, জাম, কাঁঠাল, কলা, পেঁপে, নারিকেল, লিচু, সফেদা, জামরুল, কদবেল, বরই এবং পেয়ারা উৎপাদনে সাতক্ষীরার যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। তাছাড়া সাতক্ষীরার আমের দেশে-বিদেশে অনেক সুনাম আছে। বাংলাদেশ থেকে সাতক্ষীরার আম সর্বপ্রথম বিদেশে রপ্তানি করা হয়। হিমসাগর, ল্যাংড়া ও আম্রপালি আম এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য। 

কুটির শিল্প

দুগ্ধজাত হস্তচালিত তাঁত, নৌকা তৈরি, খেলনা, কাঠের আসবাবপত্র, বেত ও বাঁশজাত দ্রব্যাদি ও আসবাবপত্র। 

বৃহৎ শিল্প

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তৎকালীন বস্ত্রমন্ত্রী প্রয়াত এম, মনসুর আলীর ১৯৮০ সালের ১লা জুনে সুন্দরবন টেক্সটাইল মিলস্ লি: ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন এবং এটাই সাতক্ষীরার একমাত্র ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান, ৩৩ একর জমির উপর গড়ে উঠা এই মিলটি দেশের অন্যতম লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসাবে প্রতিষ্ঠিত ছিল। স্থানীয় ভাষ্যমতে ১৯৯২ সালে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ এর পরামর্শে দেশের লাভজনক ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলো যখন বিরাষ্ট্রীয়করণ শুরু হয় তখন তার মধ্যে পড়ে লাভজনক প্রতিষ্ঠান সুন্দরবন টেক্সটাইল মিল এবং অর্থনীতির গ্রাফ ক্রম নামতে থাকে। ১মবার ১৯৯২ সালে মিল বন্দ হবার পর বিভিন্ন পর্যায়ে খোলার চেষ্টা করা হয় এবং বর্তমানে বন্ধ আছে। মিলটি চালুর পদক্ষেপে স্থানীয় অর্থনীতি আবার চাঙ্গা হবার প্রত্যাশায় স্থানীয় জনগণ।

 

সাতক্ষীরা জেলার ব্যবসা

 

স্থল বন্দর

২রা জুন ১৯৯০ শুল্ক স্টেশন হবার পর ১১ই মে ১৯৯৫ ভোমরা স্থল বন্দর নাম নিয়ে যাত্রা শুরু করে। প্রায় ৩০ একর জমির উপর শুল্ক স্টেশনটি অবস্থিত, ভোমরা স্থল বন্দর শুল্ক স্টেশন থেকে সরকার দৈনিক ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকার রাজস্ব পাচ্ছে। ভোমরা স্থল বন্দর শুল্ক স্টেশন কার্যালয় সূত্র অনুসারে, ১৯৯৬ সাল থেকে ২০১২ সালের জুন পর্যন্ত এবন্দর থেকে রাজস্ব আয় হয়েছে ৯১৭ কোটি ৭১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৩২ টাকা

এই বন্দর দিয়ে ভারত থেকে আনার, আপেল, আংগুর মাল্টা, আম, টমেটো, সয়াবিন বড়ি, মেথি মশলা সহ প্রায় ৮১ প্রকার পণ্য আমাদের দেশে আসে আবার আমাদের দেশ থেকে গার্মেন্টেসের জুট ও নারকেলের ছোবড়া সহ ১২/১৪ প্রকার ভারতে যায় এবং ভোমরা বন্দরে বর্তমানে ৭০০ থেকে ১০০০ শ্রমিকের কর্ম-সংস্থান। জাতীয় অর্থনীতির বিকাশে অপার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও ভোমরা স্থল বন্দর আজও পূর্ণাঙ্গ স্থল বন্দরের মর্যাদা পায়নি।

এখানে উল্লেখ্য, কোলকাতা থেকে বেনাপোলের দূরত্ব ৮৪ কিলোমিটার কিন্তু কোলকাতা থেকে ভোমরার দূরত্ব ৫৫ কিলোমিটার। ভোমরা পূর্ণাঙ্গ বন্দরে রূপান্তরিত হলে ব্যবসায়ীদের যাতায়াতের দূরত্ব কমবে কমপক্ষে ৬০ কিলোমিটার। তবে আশার কথা, বর্তমান মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর ৪৫ বিঘা জমির উপর ৩৫ কোটি ব্যয় করে ওয়্যার হাউজ নির্মাণ করছে। এছাড়া রাস্তা সংস্কারে ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে।

মন্তব্য